মেনন মনে করেন, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে গণ–আদালত, গণজাগরণ মঞ্চ যেভাবে এক হয়েছিল, তেমনি আবার ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে তরুণদের নিয়ে মাঠের লড়াই করে সাম্প্রদায়িকতা ঠেকাতে হবে।

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘যে বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, তা হাতছাড়া হয়ে গেছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বিবর্ণ জয়ন্তীতে পরিণত হয়েছে।’

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, তরুণদের সঙ্গে রাখতে হবে। আগামীর আন্দোলনে তরুণদের প্রয়োজন। দেশে যুদ্ধাপরাধের কিছু বিচার হয়েছে। তবে যারা যুদ্ধাপরাধ করেছে, সে সংগঠনের বিচার হয়নি। দীর্ঘকালের দাবি, ব্যক্তির পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধে সংগঠনের বিচার করা হোক। সেটি থাকা সত্ত্বেও ২০১৪ সাল থেকে এর বিচার ঝুলে আছে।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে কার্যকর অর্থে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা খুব সহজসাধ্য নয়। এ কাজ স্বল্প সময়ে সম্ভবও নয়। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা জারি রাখার পরিবেশ যদি আমরা তৈরি করতে না পারি, তাহলে সামনের দিনে ভয়াবহ পরিস্থিতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে।’

আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, ‘এমন একটা রাষ্ট্রের স্বপ্ন আমরা দেখতে চাই, যেখানে ধর্মীয় ও জাতিগত সব সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে সমঅধিকার নিয়ে বাস করবে। যে রাষ্ট্রে মানুষে মানুষে কোনো বৈষম্য থাকবে না, ধর্মীয়-জাতিগত পরিচয়ের কারণে কোনো বৈষম্য থাকবে না, সে রাষ্ট্রই সবার কাম্য।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন