আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, দেশে এখন দুর্বিষহ অবস্থা বিরাজ করছে। মানুষের সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিচারের নামে অবিচার মানুষের ঘাড়ে চাপানো হয়েছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নেই। কথা বলার অধিকার নেই। মান-সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার নেই। এককথায়, জাতি এখন সর্বহারা জাতিতে পরিণত হয়েছে।

জামায়াত আমির বলেন, ‘২৮ অক্টোবর আমাদের ভাইয়েরা জীবন দিয়েছেন। কোনো অন্যায়ের সাথে আপস করেননি। তেমনি আমাদের এই প্রিয় সংগঠন কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান বলেন, ‘২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের আগে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে লগি-বইঠা নিয়ে বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হয়েছিল। এ ঘোষণা ছিল সম্পূর্ণ বেআইনি ও অবৈধ। তাঁর নির্দেশেই সেদিন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা তাণ্ডব চালিয়েছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন জঘন্য হত্যাকাণ্ড আর নেই।’

জনগণকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে হামিদুর রহমান বলেন, ‘২০০৭ সালে এ–সংক্রান্ত মামলা পুনঃ তদন্ত করা হয়। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে পুরো মামলাই প্রত্যাহার করে নেয়। মূলত বিচারহীনতার জন্মদাতা আওয়ামী লীগ, পৃষ্ঠপোষকও আওয়ামী লীগ।’

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আবদুস সবুর প্রমুখ।