প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহাসমাবেশস্থলে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। বেলা পৌনে তিনটার দিকে তিনি মহাসমাবেশের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনীতে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উত্তোলন করা হয় দলীয় পতাকা। এ ছাড়া বেলুন ও পায়রা ওড়ানো হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

যুবলীগের মহাসমাবেশ শুরুর আগেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নেতা-কর্মীদের ঢল নামে। নেতা-কর্মীরা নীল, সবুজ, হলুদসহ নানা রঙের টি-শাট ও টুপি পরে মহাসমাবেশে এসেছেন।

মহাসমাবেশে যোগ দিতে আজ সকাল থেকেই যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের হাজারো নেতা-কর্মীকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যেতে দেখা যায়। তাঁরা বাস, পিকআপ, মোটরসাইকেলে করে মহাসমাবেশস্থলের দিকে যান। অনেকে আবার পায়ে হেঁটে মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যান।

যুবলীগের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

ছুটির দিনেও যানজট

মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনও রাজধানীর সড়কগুলোতে দেখা গেছে যানজট। দুপুরের দিকে বিজয়সরণী, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর এলাকায় যানজট ছিল। সকালের দিকে রাজধানীতে ঢোকার মুখে গাড়ির চাপ ছিল। সকালে রায়েরবাগ, বাবুবাজার ও গাবতলীতে দেখা যায়, কিছুক্ষণ পরপর সমাবেশের ব্যানার লাগানো বাসে করে আসছেন নেতা-কর্মীরা। সকালে যানজট ছিল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পেরিয়ে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত।

মহাসমাবেশ উপলক্ষে সকাল থেকেই নেতা–কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করেন। দুপুরের দিকে সমাবেশস্থলে নেতা–কর্মীদের ঢল নামতে দেখা গেছে।