গণতন্ত্র একটি বিকাশমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এটি কোনো ম্যাজিক্যাল ট্রান্সফরমেশন নয় যে রাতারাতি পরিবর্তন হয়ে যাবে। আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করার আন্দোলন করেছেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নিজেরা প্রতিজ্ঞা করুক, তারা আগুনসন্ত্রাস করবে না। সেটি তারা মাঠে বাস্তবায়ন করুক। সমাবেশে লাঠি নিয়ে কেন তাদের নেতা–কর্মীদের বের হতে হবে? জাতীয় পতাকা লাঠির সঙ্গে বেঁধে তারা আন্দোলন করবে, এটাও তো আরেক সন্ত্রাস। এটা বন্ধ করতে হবে।’

বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে বারবার বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলনে গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে, শৃঙ্খল মুক্তি পেয়েছে, কিন্তু গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বাংলাদেশে অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। গণতন্ত্রকে বারবার বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। ১৫ আগস্টে রাজনৈতিক বিভিন্ন দলের যে উঁচু দেয়াল বিএনপি তুলেছিল, সেই দেয়াল ৩ নভেম্বর আরও উঁচু হলো। ২১ আগস্ট আরও উচ্চতা পেল। এটা তো গণতন্ত্র বিকাশের পথে প্রধান অন্তরায়।

১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ঢাকার রাজপথে মিছিলে নেমে শহীদ হন নূর হোসেন। দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রথমে ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সোবহান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল উপস্থিত ছিলেন।