যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ছিল সুদূরপ্রসারী পরিকল্পিত। দেশের ভেতরের ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে শুরু হয় মিথ্যা অপপ্রচার। অবশেষে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের অন্ধকারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার পেছনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সরাসরি জড়িত ছিলেন। আগস্ট মাস বাংলার মানুষের জন্য দুঃখের মাস। আর জামায়াত-বিএনপির জন্য আনন্দের মাস।

অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মঞ্জুর আলম, খালেদ শওকত আলী, হাবিবুর রহমান, নবী নেওয়াজ, এনামুল হক খান, সাজ্জাদ হায়দার, মোয়াজ্জেম হোসেন, মৃনাল কান্তি জোয়ারদার, তাজউদ্দিন আহমেদ, জসিম মাতুব্বর, আনোয়ার হোসেন, বিশ্বাস মতিউর রহমান, সুব্রত পাল, বদিউল আলম, শেখ ফজলে নাঈম, জয়দেব নন্দী, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন