১৯৬৯ সালের এই দিনে সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে সাধারণ জনতা মিছিল বের করেন। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহীদ হন নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান। রাজধানীর বকশীবাজার নবকুমার ইনস্টিটিউশন ও ডক্টর শহীদুল্লাহ কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ মতিউর রহমানের বেদি অবস্থিত।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি একটা কথা বলতে চাই, আজকে বিএনপি অভ্যুত্থানের কথা বলে। তাদের যে আন্দোলন, এটা তাদের নেতা-কর্মীদের আন্দোলন, এখানে জনগণের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ভূখণ্ডের ইতিহাসে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল বাস্তবে একটি, সেটি ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান। ৯০-এর আন্দোলন ছিল গণ-আন্দোলন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, তাঁরা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে স্বাধীনতার গ্রিন সিগন্যাল পেয়েছিলেন। দুর্ভাগ্য, আজকে বিএনপি এই দিনগুলো স্বীকার করে না। এই ঐতিহাসিক দিনগুলো পালন করে না। ৭ মার্চ, ৭ জুন, ১৭ এপ্রিল তারা পালন করে না। ১০ জানুয়ারি তারা পালন করে না। ২৪ জানুয়ারি গণ-অভ্যুত্থান দিবস ছিল স্বাধীনতার পথে চূড়ান্ত মাইলফলক। এই ঐতিহাসিক মাইলফলককেও তারা অস্বীকার করে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিল। বিজয়ী দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করার ক্ষেত্রে পাকিস্তান সরকার গড়িমসি করায় বঙ্গবন্ধু এক দফায় চলে যান। আর তা হলো স্বাধীনতা। আজকে অনেকেই স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করে। কিন্তু সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার বৈধ অধিকার বঙ্গবন্ধু ছাড়া কারও ছিল না। অন্যরা স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক ছিলেন। এটা হলো বাস্তবতা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) যে সিদ্ধান্তই নেবে, আওয়ামী লীগ তা মেনে নেবে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা সব আসনে ইভিএম চেয়েছিলাম। এবারের নির্বাচনেও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি, আমরা সব আসনে ইভিএমের দাবি করেছি। এখন সিদ্ধান্ত আমাদের না, আমরা শুধু দাবি করেছি। এখন ইসি যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমরা তা মেনে নেব।’

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, শাজাহান খান, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন ও কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ও সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সংসদ সদস্য হাজী সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।