তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ শেখ কামালকে দুষ্কৃতকারীরা হত্যা করলেও তাঁর স্বল্প বয়সের কর্মের মাধ্যমেই যুগ যুগ ধরে, যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন তিনি আমাদের মধ্যে জাগরূক থাকবেন। এই অল্প বয়সের মধ্যেই যে প্রতিভা ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর তিনি রেখেছিলেন, তাতে আমি মনে করি তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ আরও অনেক উপকৃত হতো।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশের সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে, সর্বোপরি বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে শেখ কামাল বিরাট ভূমিকা রাখতে পারতেন। আজকের এই দিনে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।’
এ সময় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, শেখ কামাল ছাত্রাবস্থায় ছয় দফা প্রচারে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং স্বাধীনতার পর সংস্কৃতি ও ক্রীড়া অঙ্গনকে গড়ে তুলেছেন।

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে বীজ বিতরণ করেন তথ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয়, গোপালগঞ্জ জেলা ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হাছান মাহমুদ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে এবং এর আগে ঢাকায় আবাহনী মাঠে দলীয়ভাবে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন