সরকারকে উদ্দেশ্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আপনাদের যাওয়ার জায়গা আছে অবশ্য। ঠিকানা বলতে হবে না, ঠিকানা আগেই করা আছে।’

মঙ্গলবার থেকে লোডশেডিং শুরুর সরকারি ঘোষণার কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ওই দিন বললেন যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছিয়ে দিয়েছেন। বিদ্যুতের আর অভাব নেই। এখন আবার বলছেন উল্টো কথা, লোডশেডিং করতে হবে। তাহলে এত টাকা দিয়ে কুইক রেন্টাল কেন করলেন?’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যারা কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিক, তাঁরা কিন্তু বসে বসে টাকাটা পাবেন, বিদ্যুৎ থাকুক বা না থাকুক। বিদ্যুৎ খাতে কুইক রেন্টালের নামে এত চুরি করার পরও যদি লোডশেডিং হয়, আমার তো মনে হয় এই লোডশেডিংই সরকারের ক্ষমতা ত্যাগের কারণ হতে পারে। এভাবে মানুষ কিন্তু অসহিষ্ণু হচ্ছে, সাধারণ মানুষ অসহিষ্ণু হচ্ছে।’

‘তলোয়ার নিয়ে আসলে রাইফেল দিয়ে প্রতিরোধ করতে হবে’, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এ বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘তলোয়ার-রাইফেল। আরে ভাই, তলোয়ার তো অনেক আগে চলে গেছে, সেই অটোমান সাম্রাজ্যের পরে তো আর তলোয়ার আসে নাই। আপনি তলোয়ার কোত্থেকে আবিষ্কার করলেন?’

মির্জা আব্বাস বলেন, সংসদ ভাঙতে হবে, প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে গঠন করতে হবে। তারপর নির্বাচন হবে।

বিএনপির মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, সদস্যসচিব রফিকুল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন