এদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করতে পেরেছে সংগঠনটি। এতে মোট ২৮৩ জন পদ পেয়েছেন। যার মধ্যে তিনজন সহসভাপতির নামের পাশে গুম লিখা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা বলেন, ত্যাগী ও নির্যাতিত কর্মীদের রাজনৈতিক পরিচয় দিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিন মাস আগে পূর্ণাঙ্গ কমিটির লক্ষ্যে সদস্য সংগ্রহ ফরম বিতরণ শুরু করা হয়। পরে ফর্ম যাচাই-বাছাই করে পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর গত তিনটি কমিটি কখনোই পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে পারেনি। ফলে কর্মীরা নিষ্ক্রিয় ও হতাশ ছিলেন। অথচ দেখা গেছে, তাঁদের অন্য ক্যাম্পাসের বন্ধুরা একই সময় দু-তিন বার পদ পেয়েছেন।

আসলাম বলেন, ‘ক্যাম্পাস ছাত্রদলকে চাঙ্গা করতে চাচ্ছি। ক্যাম্পাস কার্যক্রমে ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়েছিলাম। তবে প্রশাসনের অনুরোধে আমরা ক্যাম্পাসে যাইনি। যার আরেকটি কারণ, ছাত্রলীগ হামলা করে থাকে। আবার হামলার পরে শিবির ও অন্যান্য ট্যাগ দিয়ে আমাদের কর্মীদের হয়রানি করতে পারে। তাই আমরা আমাদের কর্মীদের রাজনৈতিক পরিচয় দিয়েই ক্যাম্পাসে যেতে চাই। আমরা মনে করি, পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে আরও বেশি শক্তিশালী হব।’