সব কষ্ট ভুলে উদার রাজনীতির ধারা সৃষ্টি করতে চায় বলেই পুত্র বিয়োগের শোকে সান্ত্বনা দিতে খালেদা জিয়ার বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির নেতাদের এমন উদারতা স্মরণ করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তখন কী অমানবিক আচরণ করেছিলেন আপনারা?’

ওবায়দুল কাদের বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন নির্বাচনকে সামনে রেখে, তখনো কী ভাষায় জবাব দিয়েছিলেন আপনারা? তারপরও বিএনপির সঙ্গে দুদফা সংলাপে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যখন আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র করে, আওয়ামী লীগ তখন দেশের ও জনগণের স্বার্থে বিএনপিকে উদারতা দেখিয়েছে। খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছে।

সরকার জিয়া পরিবারকে নিয়ে আতঙ্কে ভুগছে, বিএনপির মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সবাই জানে জিয়া পরিবারের দুঃশাসন আর দুর্নীতির ইতিহাস।’
দুর্নীতি, লুটপাট, অপকর্মের জন্য এখন বিএনপির নেতাই নির্বাসনে, দেশে আসার সৎ সাহসও নেই।

সবকিছুতে সরকারের দোষ খোঁজা আর দায় চাপানো বিএনপির চিরকালের অভাস ও সংস্কৃতি—এমন দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দুদকের মামলায় সস্ত্রীক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত, এটি আইনগত প্রক্রিয়া, এখানে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সরকার ও সরকারি দলের অনেকের বিরুদ্ধেও দুদক মামলা করেছে, কারও কারও বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, এ ব্যাপারে দুদক স্বাধীন ভূমিকা পালন করছে।