সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতারা বিশ্বব্যাপী এই সংকটের কোনো সমাধানের কথা না বলে বরং দুর্নীতির কাল্পনিক অভিযোগ তুলে জনগণকে বিভ্রান্তের অপচেষ্টা করছেন। তাঁরা দুরভিসন্ধিমূলকভাবে শান্ত জনগণকে উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছেন। কিন্তু বিএনপির এসব মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্র জাতির কাছে এখন স্পষ্ট।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতিতে সিদ্ধহস্ত বিএনপি নেতারা সবকিছুতেই দুর্নীতির গন্ধ খুঁজে বেড়ান। সবকিছু নিয়ে মিথ্যাচার করা বিএনপির এখন দৈনন্দিন রুটিন হয়ে গেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতাদের যে অন্তর্জ্বালা বেড়েছে, তা এখনো কমেনি; বরং দিন দিন বাড়ছে। সামনেই আসছে তরুণ প্রজন্মের মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলসহ অনেক মেগা প্রকল্প। তাই বিএনপি নেতারা চোখে শুধু সর্ষে ফুলই দেখতে পাচ্ছেন।’

‘সরকার চোখে সর্ষে ফুল দেখছে’—বিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আসলে সরকার নয়, সর্ষে ফুল দেখছে বিএনপি। সামনে যখন বড় বড় প্রকল্পের উদ্বোধন হবে, তখন বিএনপি নেতারা চোখে সর্ষে ফুল ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবেন না।’

বিএনপির কথা মানুষ এখন আর বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যেকোনো সংকট ও দুর্যোগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব আজ পরীক্ষিত।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনা সংকট মোকাবিলায় যেখানে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খেয়েছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তা মোকাবিলা করে দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশবাসী ভালো করেই জানে, যেকোনো সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অন্য যেকোনো দলের থেকে অনেক অনেক এগিয়ে। কাজেই মিথ্যাচার আর অপপ্রচার চালিয়ে জনগণকে উসকে দেওয়ার যে ষড়যন্ত্র বিএনপি করছে, সে ফাঁদে দেশবাসী পা দেবে না। অতীতেও জনগণ শেখ হাসিনা সরকারের ওপর আস্থা রেখেছে। এখনো রাখছে।

বিশ্ব পরিস্থিতি ও বাস্তবতা বিএনপি অনুধাবন করতে না পারলেও জনগণ ঠিকই বিষয়টি অনুধাবন করে সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন