এর আগে শুক্রবার রাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা, পেট্রলের দাম ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা এবং অকটেনের দাম ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে নুরুল হক বলেন, সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের সীমাহীন দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচার এবং ঋণের ফাঁদে ফেলে সরকার দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। এখন আমদানি ব্যয় মেটাতে পারছে না, রিজার্ভ ফুরিয়ে আসছে। তাই জনগণের পকেট থেকে অর্থ কাটতে অস্বাভাবিকভাবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সবকিছুর দাম বাড়বে উল্লেখ করে নুরুল হক বলেন, ফুটপাতে লেবুর শরবত থেকে কলা—জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে। পরিবহনভাড়া বাড়বে, জনগণ দুর্ভোগে পড়বে।

অবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম না কমালে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে বলে মন্তব্য করেন নুরুল হক। তিনি বলেন, জনগণ বাঁচুক আর মরুক, তা নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা নেই। কারণ, তারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ নয়।

গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুজ জাহেরের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান, ফারুক হাসান, আবু হানিফ, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আবদুর রহমান ও ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন