আওয়ামী দোসররা মরণকামড় দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চায়: এবি পার্টি
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দফায় দফায় হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাঁরা বলেন, আওয়ামী দোসররা মরণকামড় দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ফায়দা লুটতে চায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতিত স্বৈরাচার গত ৫ আগস্ট পলায়ন করতে বাধ্য হয়। আজ আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসীরা এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে দফায় দফায় হামলা করেছে। এখনো রক্তের দাগ শুকায়নি, বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি; এরই মধ্যে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলা খুবই উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। তারা সন্ত্রাসী হামলা বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে ন্যক্কারজনক হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার বর্বর ঘটনা পতিত স্বৈরাচারের ষড়যন্ত্রের আভাস বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এবি পার্টির নেতারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির সুযোগে আওয়ামী দোসররা দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এসব দুস্কৃতকারীকে কঠোর হস্তে দমন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে যাতে আবারও ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে না পারে, সে জন্য দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দলমত–নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।
এবি পার্টির নেতারা অবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে আহত এনসিপি নেতা–কর্মী, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি তাঁরা সমবেদনা জানান।