আজ সোমবার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘ফখরুল-তারেক গংদের দেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘ছোটবেলায় বর্গীদের কিচ্ছা শুনে যেমন পিলে চমকে উঠত, এখন তারেক জিয়াও সে রকম একটি নাম। তারেক জিয়ার নাম শুনলে মানুষের মনে পড়ে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, তাঁর নেতৃত্বে দুর্নীতিতে পরপর পাঁচবার বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়া, হাওয়া ভবন-খোয়াব ভবনের কথা, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের কথা। এই দুর্নীতি, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও অপশাসনের প্রতীক তারেক রহমান তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তাঁকে নিয়ে নাকি তারা যুদ্ধ করবে। সুতরাং এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।’

১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকার সমাবেশ প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর বিএনপি ঢাকায় এসে নাকি ঢাকা দখল করবে। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয় দিবসে পাকিস্তানিরা এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণ করেছিল। আর ১০ ডিসেম্বর এই পাকিস্তানপন্থী বিএনপি নেতারা যখন ঢাকা শহরে আসবেন, তাঁদের মানুষ আত্মসমর্পণ করাবে। তাঁরা সারা বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে এখানে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাবে, সেটি বাংলাদেশের মানুষ, ঢাকা শহরের মানুষ হতে দেবে না। যেভাবে ’৭১–এর মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের শিল্পীসমাজ, সাংস্কৃতিক কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, স্বাধীনতাসংগ্রামে অগ্রভাগে ছিলেন, আজকেও তাঁদের আহ্বান জানাই এই অপশক্তিকে রুখে দেওয়ার জন্য।’

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সহসভাপতি স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী, চিত্রনায়িকা অরুণা বিশ্বাস, চিত্রনায়ক শাকিল খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অভিনেত্রী তারিন জাহান, তানভীন সুইটিসহ প্রমুখ।