ধানমন্ডি, কলাবাগান, নিউমার্কেট ও হাজারীবাগ থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১০ সংসদীয় আসনে ভোটের প্রচার জমে উঠেছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগে নেমেছেন। তিনি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। এই প্রার্থী নিজের জয়ের ব্যাপারে ‘শতভাগ আশাবাদী’।
আজ শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডির মসজিদ-উত-তাকওয়ায় জুমার নামাজ আদায় করেন শেখ রবিউল আলম। নামাজের পর তিনি মসজিদে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মুসল্লিদের কাছে দোয়া চান। পরে ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে মুসল্লিদের উদ্দেশে মিনিট তিনেকের একটি বক্তব্য দেন রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপি কর্তৃক মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী। আমি আপনাদের জন্য দোয়া করি, আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন—এই প্রত্যাশা রাখছি।’
নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই রবিউলের একদল সমর্থক মসজিদ-উত-তাকওয়ার মূল ফটকে মুসল্লিদের কাছে তাঁর পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচারপত্র বিতরণ করেন। তাতে বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় থাকা সামাজিক উন্নয়নের আটটি বিষয় তুলে ধরা হয়। এগুলোর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড রয়েছে। প্রচারপত্রের ওপরে লেখা ছিল ‘১২ ফেব্রুয়ারি সারা দিন, ধানের শীষে ভোট দিন’।
কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে রবিউল মসজিদের ফটকের সামনের সড়কে দাঁড়ান। মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লিদের অনেকের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁদের কেউ কেউ রবিউলের সঙ্গে সেলফিও তোলেন।
শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম নেতা–কর্মীদের নিয়ে হাঁটতে শুরু করেন। পথচারী মানুষদের সালাম দিতে দিতে এগোতে থাকেন তিনি। সাতমসজিদ সড়ক ধরে হেঁটে হেঁটে ধানমন্ডি ৭/এ–তে নিজের নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়ে পৌঁছান রবিউল।
পরে বিকেলে ঢাকা–১০ আসনভুক্ত পশ্চিম ধানমন্ডির মধুবাজার এলাকায় গিয়ে গণসংযোগ করেন রবিউল আলম। এ সময় স্থানীয় বিএনপি এবং অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন। পরে রাতে ধানমন্ডি মাঠে গণসংযোগ করেন বিএনপির এই প্রার্থী।
জানতে চাইলে বিএনপির এই প্রার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। তাঁরা ধানের শীষের পক্ষে স্বতঃস্ফূর্ত রায় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছেন বলে মনে হয়েছে। নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল ঢাকা-১০ গড়তে জনগণ আমাকে নির্বাচিত করবে বলে আমি শতভাগ আশাবাদী।’