হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি তাদের সমাবেশে লোকসংখ্যা যে ৩০ থেকে ৫০ হাজারের বেশি হবে না সেটি আগে থেকেই জানে। সেটিও যদি হয়, কোনো অবস্থাতেই একটি ব্যস্ত রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করা উচিত নয়। আর নয়াপল্টনের পুরো এক কিলোমিটার রাস্তা জুড়েও যদি মানুষ বসে তাহলে ৫০ হাজারের বেশি না। তবুও সেখানেই সমাবেশের ওপর জোর দেওয়ার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করছে—প্রথমত, তারা শঙ্কিত ওখানে তেমন লোক হবে না। দ্বিতীয়ত, রাস্তায় সমাবেশ করলে গন্ডগোল করতে সুবিধা হয়। এই দুই উদ্দেশ্যে তারা সেখানে সমাবেশ করতে চায়।’

‘নয়াপল্টনে বিএনপি অফিসের সামনে সমাবেশ করার উদ্দেশ্যটাই একটা হীন উদ্দেশ্য’ উল্লেখ করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বড় সমাবেশ কখনো রাস্তায় হয় না, রাস্তায় সমাবেশ করাটা অনুচিত, এতে জনগণের দুর্ভোগ হয়। আপনারা সাংবাদিকরাই লেখেন এবং টেলিভিশনে দেখান যে রাস্তায় সমাবেশ করতে গিয়ে জনগণের দুর্ভোগ হচ্ছে। সরকার সমাবেশ করার অনুমতি দিতে পারে কিন্তু গন্ডগোল করার উদ্দেশ্যে কোনো সমাবেশ করার অনুমতি তো দিতে পারে না।

এদিকে আজ দুপুরে হাছান মাহমুদের সঙ্গে  বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস সাক্ষাৎ করেন।এ সময় তিনি তথ্যমন্ত্রীকে ১১ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংরক্ষণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে আমন্ত্রণ জানান। এ ছাড়া গণমাধ্যম, জলবায়ু পরিবর্তন ও সম্প্রতি সমাপ্ত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের ফলাফল নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে।