বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সভায় জোটের নেতারা এসব অভিযোগ করেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় বাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সভা হয়।

বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর, বাসদের (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহীদুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, সিপিবির সহকারী সাধারণ সম্পাদক মিহির ঘোষ, বাসদের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নিখিল দাস, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আবদুর সাত্তার প্রমুখ।

বাংলাদেশের রাজনীতি ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জোটের নেতারা বলেন, সরকার ও শাসক বুর্জোয়া শ্রেণির রাজনৈতিক দলসমূহের নতজানু নীতির ফলেই দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো নাক গলানোর সুযোগ পেয়ে আসছে। একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশের জন্য যা খুবই লজ্জার।

বাম জোটের নেতারা অভিযোগ করেন, নাগরিকের মতপ্রকাশ ও সভা-সমাবেশের অধিকার খর্ব করে সরকার ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

সভা থেকে আগামী ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে জাগরণ যাত্রা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি, লুটপাট ও দুঃশাসন অবসান, সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া একই দাবিতে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি যশোরে এবং ১৮ মার্চ ঢাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।