হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে গ্রামগুলোতে শহরের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে গেছে। আমরা স্লোগান দিই, “আমার গ্রাম, আমার শহর, ডিজিটাল বাংলাদেশ।” আর বিএনপি স্লোগান দেয়, “আর নয় ডিজিটাল দেশ, টেক ব্যাক বাংলাদেশ।” অর্থাৎ, বাংলাদেশকে পেছনে পাঠাও। তাদের জিগ্যেস করলে বলে, “এই স্লোগান আমাদের তারেক ভাইজান দিছে।” আর মির্জা ফখরুল সাহেবও বলেন, “পাকিস্তানই ভালো ছিল।”’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজকে যে উন্নয়ন, অগ্রগতি, ডিজিটাল বাংলাদেশ, বিএনপি এখান থেকে বাংলাদেশকে কয়েক দশক পেছনে নিয়ে যেতে চায়। যে পাকিস্তান বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আজ দীর্ঘশ্বাস ফেলে, তারা দেশটাকে সেই পাকিস্তান বানাতে চায়। যারা বাংলাদেশে বিশ্বাস করে না, পাকিস্তানই ভালো ছিল বলে, তাদের হাতে আমরা দেশ তুলে দিতে পারি না।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কয়েক দিন আগে ‘তাঁদের মনের কথা বলেছেন’ উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে তারা নাকি তারেক জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠন করবে। অর্থাৎ সব ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে চাঁদা আর টোল তোলা হাওয়া ভবনের তারেক রহমানকে নাকি নেতৃত্বে আনবে। তার মানে আগে পাঁচ শ জায়গায় বোমা ফেটেছে, এবার পাঁচ হাজার জায়গায় বোমা ফাটবে। আবার বাংলাভাই হবে, মানুষকে টাঙিয়ে রেখে মারতে মারতে হত্যা করবে, আবার ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা টানা ১৪ বছর ধরে ক্ষমতায় আছি। পৃথিবীর কোনো সরকার শতকরা এক শ ভাগ নির্ভুল কাজ করতে পারেনি, পারবে না। আমাদেরও ভুলত্রুটি থাকতে পারে। সেগুলো সংশোধন করে ভবিষ্যতে আরও সুন্দরভাবে স্রষ্টার কৃপায় জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ পরিচালিত হবে।’

গুরুদাসপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম রমজান। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, সম্মানিত অতিথি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা প্রমুখ বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে আনিছুর রহমানকে সভাপতি ও আবদুল মতিনকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।