রাজধানীর কয়েক জায়গায় অবরোধ কর্মসূচি পালনের কথা জানাল জামায়াত
রাজধানীর তেজগাঁও, মিরপুর, গাবতলী, মোহাম্মদপুরসহ কয়েক স্থানে রেল, নৌ ও সড়কপথ অবরোধের কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গাবতলীতে অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে জামায়াতের পাঁচ নেতাকে পুলিশ আটক করেছে এবং যুবলীগের হামলায় তিন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দলটি। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করেছে জামায়াত।
আজ মঙ্গলবার থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত বিএনপির তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচির সমর্থনে জামায়াত ইসলামীও টানা তিন দিনের সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধের কর্মসূচি পালন করছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর হাতিরঝিল-তেজগাঁও অঞ্চলের উদ্যোগে কর্মীরা সকাল পৌনে ৮টা থেকে ৮টা ১০ মিনিট পর্যন্ত তেজগাঁও-মহাখালী রেলপথ অবরোধ করেছে। এ ছাড়া পল্লবী, রূপনগর, শেওড়াপাড়া, তালতলা ও মহাখালীতে সড়ক অবরোধ করা হয় এবং তেজগাঁও ও উত্তরায় রেলপথ অবরোধ করা হয়।
জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত উত্তরায় রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালনের সময় দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ সরকারের একতরফা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই মেনে নেবে না। শেখ হাসিনার দলীয় সরকারের অধীন দেশে কোনো নির্বাচনও হতে দেবে না। জোর করে এ দলের পক্ষে আর ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নেই। তা উপলব্ধি করতে পেরেই গণবিচ্ছিন্ন সরকার জনগণের ওপর পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে দিয়েছে। অবরোধ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য জামাল উদ্দীন, জামায়াত নেতা মাহবুবুল আলম, মাজহারুল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।
শেওড়াপাড়া ও তালতলায় অবরোধ কর্মসূচি পালনের সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে সুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী, জুলুমবাজ ও নৈশ ভোট করে আসা সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছে। সর্বাত্মকভাবে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সরকারের প্রতি জনগণ অনাস্থা জানিয়েছে।
অবরোধের সমর্থনে রূপনগর থানার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলটি মিরপুর ১২ নম্বরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।