আপসনামায় উল্লেখ করা হয়, থানায় অভিযোগের বিষয়টি আমাদের উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছিল। পরে আমরা দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করেছি। তুষার ও শামীমুল মুঠোফোন এবং টাকা ফেরত দিয়েছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রজিতের কোনো অভিযোগ নেই। ভবিষ্যতেও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করা হবে না। আপস–মীমাংসার মাধ্যমে অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হলো।
অভিযুক্ত তুষার হোসেন ও অভিযোগকারীপক্ষের সাক্ষী মিলন খান প্রথম আলোকে আপসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদুত হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আপসের বিষয়টি আমরা জেনেছি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো আপসনামা হাতে পাইনি।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন