বৈঠকে জি এম কাদের বলেন, মধ্যপন্থার রাজনীতির প্রতি অধিকাংশ জনগণের সমর্থন থাকায় বিশ্বব্যাপী মধ্যপন্থীরাই রাষ্ট্রের কল্যাণে বেশি ভূমিকা রেখেছে।

জাপার চেয়ারম্যান জাতীয় নির্বাচন অর্থবহ করা এবং নির্বাচনে কারচুপি দূর করার জন্য আনুপাতিক হারে প্রতিনিধি নির্বাচনব্যবস্থা চালু করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। এই প্রস্তাবনা নীতিগতভাবে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে বলে মত প্রকাশ করেন এবি পার্টির নেতারা।

এবি পার্টির আহ্বায়ক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী জাতীয় পার্টির নেতাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের মতের পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রের নাগরিক ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বৃহত্তর প্রয়োজনে পারস্পরিক সংলাপ এবং মতবিনিময়ের সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে।’

এর আগে এবি পার্টি গঠনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন দলের সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু। বৈঠকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের সার্বিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে মতবিনিময়ে অংশ নেন জাপার মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু, এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম ও যুগ্ম সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

বৈঠকে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম, এ টি ইউ তাজ রহমান, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, জহির ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, জহিরুল আলম রুবেল, ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ও যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া এবি পার্টির নেতা যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, বি এম নাজমুল হক, এ বি এম খালিদ হাসান, আনোয়ার সাদাত, আমিনুল ইসলাম, আলতাফ হোসেইন, নাসরীন সুলতানা, আবু রাইয়ান উপস্থিত ছিলেন।

এবি পার্টির নেতারা জানান, দলের গঠনতন্ত্রের প্রথম দফা কর্মসূচি ‘জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা’র অংশ হিসেবে তারা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে এবি পার্টি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন