ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতি
পাথর লুটের ঘটনায় ফয়জুল করীমকে সম্পৃক্ত করে প্রকৃত অপরাধীকে আড়ালের চেষ্টা হচ্ছে
সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে পাথর লুটের ঘটনায় দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির।
আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভোলাগঞ্জ থেকে পাথর চুরি করল বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। কিন্তু একটি নীতিগত অবস্থান ব্যক্ত করায় মুফতি ফয়জুল করীমকে লক্ষ্য করে সমালোচনার বৃত্ত তৈরি করা হচ্ছে।’
অর্থকরী প্রাকৃতিক সম্পদ হওয়ায় পাথরের ‘নিয়ন্ত্রিত উত্তোলন’ দরকার বলে বিবৃতিতে বলা হয়। গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘বছরখানেক আগে মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম একটি সভায় ভোলাগঞ্জের পাথর উত্তোলনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে অনুমতি প্রদানের আহ্বান জানান। একই বক্তব্যে তিনি পরিবেশ রক্ষার কথাও বলেছেন।’
মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বক্তব্যকে কাটছাট করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর রহমান। তিনি বলেন, প্রশাসন সময়মতো ব্যবস্থা না নিয়ে পাথর লুট করার সুযোগ দিয়েছে। পাথর লুট করার এই দায় একান্তভাবেই প্রশাসনের।
বিবৃতিতে সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জাফলংসহ যেসব স্থানে পাথর পাওয়া যায়, সেসব জায়গায় পাথর উত্তোলন করা বা না করার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে সরকারকে বাস্তবভিত্তিক নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।