আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, দেশের মানুষ মারাত্মক কষ্টে আছে। স্বল্প আয় দিয়ে সংসার চালাতে পারছে না সাধারণ মানুষ। দেশের খেটে খাওয়া মানুষ বুঝতে পারছে, কষ্ট কত অসহ্য।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরও বলেন, দেশ একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব আমাদের দেশেও পড়েছে। মানুষের কষ্ট দেখে সরকারের কোনো উদ্যোগ আছে বলে মনে হচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিশ্বের সব দেশেই জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। তাই আমাদের দেশেও বেড়েছে। সব দেশই মানুষের কষ্ট দূর করতে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সহায়তা দিচ্ছে, কিন্তু আমাদের দেশে তো কাউকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ৪৮ থেকে বেড়ে আমাদের রিজার্ভ ৫০ বিলিয়নে দাঁড়াবে। কিন্তু এখন দেশের রিজার্ভ ২৭ বিলিয়নে নেমেছে। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দুর্ভিক্ষ আসতে পারে। কিন্তু দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় সরকারের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। বিদেশ থেকে কেন ডলার আসছে না?

সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক (চুন্নু) বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসন ও লুটপাটের জন্য দেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায় না। অর্থনৈতিক সংকটে দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী আছেন বলে মনে হয় না। বাজার নিয়ন্ত্রণে কোনো কর্তৃপক্ষ আছে বলে প্রমাণ হয় না।

এ সময় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বলেন, জাতীয় পার্টি গণমানুষের আস্থা ও ভালোবাসার রাজনৈতিক শক্তি।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম আবদুল মান্নান, মীর আবদুস সবুর, সাইফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।