ব্যাংক রেজোল্যুশন বিল পাস: বিতর্কিত পরিচালকদের ফেরার সুযোগ রাখা সেই ধারা বাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের আলোচিত–সমালোচিত ১৮(ক) ধারা বিলুপ্ত করে সংসদে বিল পাস হয়েছে। একীভূত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুরোনো ও বিতর্কিত পরিচালকদের ফেরার সুযোগ রেখে আইনে এই ধারা যুক্ত করেছিল বর্তমান সরকার। ব্যাপক সমালোচনার মুখে সেটা আবার বাদ দেওয়া হলো।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস হয়। এই বিলের আলোচনায় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল হয়।

আরও পড়ুন

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি পাসের জন্য তোলেন। বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই–বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। বিলে বলা হয়েছে, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ধারা ১৮(ক) বিলুপ্ত হবে। এই ধারায় বলা হয়েছিল, কোনো ব্যাংক রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে যাঁরা শেয়ারধারক ছিলেন, তাঁরা চাইলে পরে আবার সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও এই সুযোগ দিতে পারবে।

অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ জারি করেছিল। সেখানে এই ধারাটি ছিল না। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ওই অধ্যাদেশটি সংশোধন করে অনুমোদন করেছিল। সেখানে এই ধারা যুক্ত করা হয়।

এটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হওয়ার পর সরকার এই ধারা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী এই সংশোধনী এনে বিল সংসদে পাস করা হলো।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর উক্ত ধারার পূর্ণ শর্ত পরিপালন করে ইতিমধ্যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করা সমীচীন।