চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষে বিভক্ত। একটি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারী। আরেকটি পক্ষ হচ্ছে চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী। ছাত্রলীগের এই দুই পক্ষের মধ্যে ক্যাম্পাসে রয়েছে ১১টি উপপক্ষ। এর মধ্যে দুটি উপপক্ষ মহিবুলের অনুসারী। বাকি ৯টি উপপক্ষ নাছিরের অনুসারীদের।

এর আগে বিকেলে যৌন নিপীড়নের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হকের অনুসারী চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ারের নেতা–কর্মীরা। রেজাউল হক মহিবুল হাসানের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

এদিকে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও যোগ দেন।

গত রোববার রাত সাড়ে নয়টায় ক্যাম্পাসে পাঁচ তরুণের হাতে এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও মারধরের শিকার হন। নিপীড়নের শিকার ছাত্রীর ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পোশাক ও কথাবার্তা শুনে মনে হয়েছে, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুণ ওই ছাত্রীকে বেঁধে বিবস্ত্র করে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন