দুই নাতির কাঁধে চড়ে ভোট দিতে এলেন তৈয়বজান
হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলা মিলে ময়মনসিংহ-১ আসন। হালুয়াঘাটের ৯ নম্বর ইউনিয়নের নাম ধারা ইউনিয়ন। ধারা বাজার সংলগ্ন ধারা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র। সকাল ৯টা। এই কেন্দ্রে ভোট দিয়ে দুই নাতির কাঁধে চড়ে ফিরছিলেন তৈয়বজান।
নিজে চলাফেরা করতে পারেন না। তৈয়বজান জানান, নিজ হাতে নিজের পছন্দের প্রার্থীকেই তিনি ভোট দিয়েছেন এবং ভোট দিতে পেরে তাঁর ভালো লেগেছে।
এই কেন্দ্রে একই ইউনিয়নের পূর্বধারা গ্রামের আকিবুল ইসলাম জানান, তিনিও তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে নিজের মতো করে ভোট দিতে পেরেছেন। তিনি ভোট দিয়েছেন ১৬-১৭ বছর পরে।
কেন্দ্রের নিচতলায় নারীদের জন্য এবং দোতলায় পুরুষ ভোটারদের জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দোতলা থেকে দুই হাতে ক্র্যাচে ভর করে সিঁড়ি ভেঙে নামছিলেন তিনি।
ধারা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার চার হাজার ৩০৫। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোজাহারুল হক জানালেন, এক ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ২০০।
এই আসনে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল। ধারা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে তাঁর সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। জানান, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই হচ্ছে। ভোট দেওয়ার পরও কেউ কেউ কেন্দ্রে বেশি সময় অবস্থান করছেন শুনে তিনি এ কেন্দ্রে এসেছিলেন।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোজাহারুল হক অবশ্য জানান, এই অভিযোগের কোনো সত্যতা তিনি পাননি।
ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা সৈয়দ ইমরান সালে প্রিন্স মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ভোটার তালিকার নাম আছে, অ্যাপেও দেখাচ্ছে নাম। কিন্তু কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে যাওয়ার সময় কেন্দ্র থেকে বলা হচ্ছে তালিকায় ভোটারের নাম নেই। এমন কিছু অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটছে।