এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে নিয়ে এসেছিলেন। এ জন্যই এই দিনটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। ৭ নভেম্বর শুধু একটা দিবস নয়, বাংলাদেশের শত্রুদের পরাজিত করে সেদিন দেশপ্রেমিক সৈনিক-জনতা পুনরায় স্বাধীনতাতে উজ্জীবিত হয়ে দেশকে রক্ষা করার শপথ গ্রহণ করেছিল।‌’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আজকে এদিনে আমাদের শপথ হচ্ছে, আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার যে লড়াই করছি, সেই লড়াইকে আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাব। আমরা গণতন্ত্রকে মুক্ত করব, দেশনেত্রীকে মুক্ত করব, আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবকে দেশে ফিরিয়ে আনব এবং একই সঙ্গে সমগ্র দেশের মানুষকে মুক্ত করে একটা সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করব।’
৭ নভেম্বর দিবসটিকে বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, আওয়ামী লীগ ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ এবং জাসদ ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করছে।

৭ নভেম্বর পালনে বিএনপি দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভোরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় অফিসে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বেলা তিনটায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হবে উন্মুক্ত আলোচনা সভা।