ফয়জুল করীম বছরে আয় করেন ১৪ লাখ টাকা
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম মাহফিল করে বছরে আয় করেন চার লাখ টাকা। আর শিক্ষকতা পেশা থেকে বছরে তাঁর আয় ৭ লাখ ৬ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে একটি পয়েন্ট ২২ বোরের রাইফেল রয়েছে তাঁর। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বছরে আয় করেন ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া থেকে তাঁর আয় ৩ লাখ ২২ হাজার টাকা। শিক্ষকতা করে তিনি আয় করেন ৭ লাখ ৬ হাজার টাকা। তাঁর নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মোট মূল্য ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৪৭ টাকা। হলফনামায় অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে তাঁর নগদ রয়েছে ৩১ লাখ ১২ হাজার ৪৭ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ১ হাজার ১৭৬ টাকা। পয়েন্ট ২২ বোরের একটি রাইফেলও রয়েছে তাঁর; যার মূল্য ২ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ৩৩ লাখ ১৩ হাজার ২২৩ টাকা।
সৈয়দ ফয়জুল করীমের স্ত্রীর নগদ অর্থ রয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর উপহার বাবদ পাওয়া সোনা রয়েছে ১৮৭ ভরি। সব মিলিয়ে তাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ৩ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষিজমির পরিমাণ ২ হাজার ৪৩৬ শতাংশ। যার অর্জনকালীন মূল্য ১ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৬০ টাকা। অকৃষি জমি রয়েছে ৪০ শতাংশ। যার অর্জনকালীন মূল্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১৪৮ টাকা। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৬৬১ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক ভবন এবং ২ হাজার ১৩ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে হলফনামায়। তবে সেগুলোর মূল্য উল্লেখ করা হয়নি।
হলফনামায় সৈয়দ ফয়জুল করীমের স্থাবর সম্পদের মোট অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৬ হাজার ৭০৮ টাকা। আর বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার ১২৪ টাকা। হলফনামায় তাঁর বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ৫৩ বছর ৯ মাস। আর শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল ফিকাহ। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।