মেনন বলেন, সামনে খুব কঠিন দিন। মুঠোফোনে ফেসবুক দিয়ে এ সংকট নিরসন করা যাবে না। শ্রমিকের পাশে, কৃষকের পাশে দাঁড়াতে হবে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, দেশে সামগ্রিকভাবে গণতান্ত্রিক অধিকারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি দেশে চলছে অর্থনৈতিক সংকট। এ সংকট নিরসনের জন্য যে ডলার প্রয়োজন, তা উপার্জন করেন শ্রমিকেরা। কিন্তু বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সেই শ্রমিকেরা চলার মতো মজুরি পাচ্ছেন না। শ্রমিকদের নিরাপত্তাও নেই।

এখন দেশে সামগ্রিকভাবে গণতান্ত্রিক অধিকারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে মন্তব্য করে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, এখন শ্রমিকনেতারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে পারবেন, এটা ভাবা যায় না। এখন তো সংসদ নির্বাচনও করতে পারবেন না শ্রমিকনেতারা। এমনকি একটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও করতে পারবেন না। গণতান্ত্রিক অধিকারের কীভাবে পরিবর্তন হয়েছে।

সব পেশার মানুষকে ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকারের দাবি তুলে ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, রিকশাচালক, পাটকলশ্রমিক, আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) কর্মী—সবারই ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এর স্বীকৃতি আদায়ের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন–সংগ্রাম কর্মসূচির মধ্যে এটিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সভায় মূল পত্র উপস্থাপন করেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরীফ শমশির। এ সময় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরূল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক, শ্রমিকনেতা হিমাংশু সাহা, দিদারুল আলম, খলিলুর রহমান প্রমুখ।