আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বিদ্যুৎ সংকট এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘ইতিপূর্বে তাঁদের আচরণ আমাদের কাছে প্রকাশ পেয়েছে। মানুষ চোখ বন্ধ করে নেই। কে হত্যা, কে গুম করছে সবাই জানে। এমনকি এই আকাশ সংস্কৃতির যুগে বিশ্বের সব মানুষ তা এখন জানে।’

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলছেন দেশে সংকট নেই। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার কেন প্রয়োজন? তাহলে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে কেন এর প্রয়োজন হয়েছিল?

বড় প্রকল্পের নামে টাকা লুট হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় এই নেতা বলেন, দেশে বড় বড় মেগা প্রজেক্টের নামে জনগণের টাকা লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আছে, তাই তাদের হয়তো আদালতে জবাবদিহি করতে হচ্ছে না। কিন্তু জনগণের আদালতে জবাবদিহি করতে হবে।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চায়ের দাওয়াত কেন দিচ্ছেন? যদি নিরপেক্ষ সরকার দিতে চান। তবে আলোচনা হতে পারে। তবে তাঁরা তো গণতন্ত্রকে জাদুঘরে রেখে দিয়েছেন। তাঁরা বলেন সংবিধানে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের সুযোগ নেই। এর দৃষ্টান্ত তো ১৯৯৬ সালে হয়েছিল।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আছে দস্যুদের মতো। গণতন্ত্র আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য নিরপেক্ষ সরকারব্যবস্থার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল কবির (খোকন), সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন