সমাবেশে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে যারা, তারা বাংলাদেশকে লুটপাট করছে। তাদের সঙ্গে আছে টেন্ডারবাজরা, সন্ত্রাসীরা, দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীরা, দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাই রাজনীতির মাঠে বিএনপির সঙ্গে মোকাবিলা করার সাহস আওয়ামী লীগের নেই। আজ আওয়ামী লীগের কোথাও কোনো সমর্থন নেই। রাজনীতির মাঠে বিএনপির সঙ্গে দাঁড়ানোর সাহস তাদের নেই। কাপুরুষের মতো ভীতসন্ত্রস্ত দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে আওয়ামী লীগ। তাদের কোনো জনসমর্থন নেই। তারা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জনগণের কাছ থেকে।’

আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। তারা বাক্‌স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। আইনের শাসন কেড়ে নিয়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের জীবনের নিরাপত্তা কেড়ে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ এখন যে রাজনীতিতে নেমেছে, সেটা হচ্ছে রাতের অন্ধকারে বিএনপির মোমবাতি কর্মসূচিতে হামলা, বিএনপির নেতাদের বাড়িতে তাদের অনুপস্থিতিতে হামলা করা, ভাঙচুর করা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, ‘এই সরকারের পতনের পর সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। খালি বিএনপি নয়, সবার মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনী আইন প্রণয়ন করা হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশের মানুষ তাঁদের সংসদে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। নির্বাচিত সরকার গঠিত হবে, যাদের বাংলাদেশের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’

উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাশের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহাজাহান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও জয়নুল আবেদিন ফারুক, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি এ জেড এম গোলাম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন