তৃতীয় ভাষাশিক্ষায় ফ্রান্সের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে (মধ্যে)। সঙ্গে ছিলেন রিজিওনাল ইকোনমিক ডিপার্টমেন্টের প্রধান ফ্লোরেন্ট ম্যানগিনছবি: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সৌজন্যে

বাংলাদেশে তৃতীয় ভাষাশিক্ষা সম্প্রসারণে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ভাষাশিক্ষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বড় সুযোগ তৈরি করে।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি এ সহযোগিতা চান। সাক্ষাৎকালে শিক্ষা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে শিক্ষাব্যবস্থায় তৃতীয় ভাষাশিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা হয়। এ সময় তৃতীয় ভাষা হিসেবে ফরাসি ভাষাকে অন্যতম বিকল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মাহদী আমিন বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগবান্ধব বাজেট ও ব্যবসাবান্ধব নীতিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি ফ্রান্সের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বৈঠকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ বাড়ানো, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রান্সে বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেয়।

বৈঠকে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রিজিওনাল ইকোনমিক ডিপার্টমেন্টের প্রধান ফ্লোরেন্ট ম্যানগিন উপস্থিত ছিলেন।