তিন মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন মমতাজ

২৪ জুন ঢাকার আদালতে সাবেক সংসদ সদস্য ও সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম। মিরপুর মডেল থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় সেদিন তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিলফাইল ছবি: প্রথম আলো

হত্যার অভিযোগে দুটি এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য, কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। তিন মামলায় তাঁর জামিন প্রশ্নে রুলের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ রায় দেন।

জামিনের এ রায়ে মমতাজের মুক্তি মিলছে না। তাঁর বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা রয়েছে বলে আইনজীবী জানিয়েছেন।

ঢাকার কোতোয়ালি থানা ও মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানায় করা দুটি হত্যা মামলা এবং হরিরামপুর থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা এক মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মমতাজ। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট তাঁর জামিন প্রশ্নে রুল দেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) করে আজ রায় দেওয়া হয়।

আদালতে মমতাজের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোসা. খায়রুন নেছা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন।

মমতাজের বিরুদ্ধে থাকা ছয়টি মামলার মধ্যে আজ তিনটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন বলে জানান আইনজীবী মোসা. খায়রুন নেছা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আরেকটি মামলায় তাঁর জামিন বহাল রয়েছে। অন্য দুটি মামলায় তাঁর জামিন স্থগিত হয়েছে। তবে এ দুই মামলায় তাঁর জামিন প্রশ্নে রুল শুনানির অপেক্ষায়। এর মধ্যে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় করা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় ২৪ জুন মমতাজকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

জনপ্রিয় শিল্পী মমতাজ বেগম মানিকগঞ্জ–২ (সিঙ্গাইর-হরিরামপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সংসদ সদস্য ছিলেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত বছরের ১২ মে রাজধানীর ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনের একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন তাঁকে আদালতে হাজিরের পর কারাগারে পাঠানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকা ও মানিকগঞ্জের কয়েকটি থানায় হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।