যৌক্তিক বিবেচনায় সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে: ইসি সচিব আনোয়ারুল

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকারফাইল ছবি

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) সর্বোচ্চ সতর্কতা, নিরপেক্ষতা ও যৌক্তিক বিবেচনায় সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করেছে। সীমানার চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।

আজ রোববার দুপুরে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি। আসনের সীমানার পরিবর্তনের প্রতিবাদে দেশের কয়েকটি জায়গায় স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ করছেন। তবে আইন অনুযায়ী, সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্ত হওয়ার পর তা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যায় না।

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সীমানা নির্ধারণের কাজটি কমিশন নিরপেক্ষভাবে শেষ করেছে। সীমানা পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অখণ্ডতা, ভৌগোলিক এলাকা ও সর্বশেষ আদমশুমারির তথ্য বিবেচনায় নেওয়ার কথা আইনে বলা আছে। তিনি বলেন, জনসংখ্যার পাশাপাশি ভোটার সংখ্যাকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কোথাও শুধু প্রশাসনিক অখণ্ডতা বিবেচনায় নিলে একধরনের সমস্যা হয়, আবার ভৌগোলিক অখণ্ডতা বাদ দিলে এক রকম সমস্যা হয়। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আগামী নির্বাচন ঘিরে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। ইসির কাছে প্রতিকূল পরিস্থিতির কোনো তথ্য আসেনি। তিনি জানান, নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে দলগুলোর নাম নিয়ে আপত্তি জানানোর সুযোগ রাখা হবে। এটি এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আইনের সংশোধনী প্রস্তাবে অন্য কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু থাকলে তা সমন্বয় করা হবে।