হতাশা প্রকাশ করে সিইসি বলেন, তাঁর মা–বাবা পত্রিকা পড়তেন। বেঁচে থাকলে হয়তো পেপার পড়ে বলতেন, ‘বাবু, এত খারাপ পরামর্শ দিলে কেন?’ সিইসি পরামর্শ দেন, গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠভাবে বলতে পারত, সিইসি হিউমার করে এমন কথা বলেছেন।

একবার গণমাধ্যমকে দুষলেও পরে আবার সিইসি গণমাধ্যমকে সম্মান করেন বলে জানান। স্বচ্ছতা রক্ষার জন্য বিগত নির্বাচনগুলোয় ইসি মিডিয়াকে অবাধ সুযোগ দিয়েছে বলে জানান।

ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত আমিনীর নেতৃত্বে ঐক্যজোটের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সংলাপে অংশ নেয়। সংলাপে বক্তব্যের সময় ‘তলোয়ার নিয়ে এলে আপনারা রাইফেল নিয়ে দাঁড়াবেন’—সিইসিকে এ ধরনের বিতর্কিত বক্তব্য না দেওয়ার পরামর্শ দেয় দলটি। পরে সমাপনী বক্তব্যে সিইসি এর জবাব দেন।

এনডিএমের সঙ্গে সংলাপে এ ধরনের একটি বক্তব্য আসার বিষয়টি উল্লেখ করে সিইসি হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমার এক ভাই বলেছেন, “একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পরশু আমি বলেছিলাম, কেউ তলোয়ার নিয়ে এলে আপনারা রাইফেল নিয়ে দাঁড়াবেন।” এটা আপনাদের বুঝতে হবে, একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কথা কখনো মিন করে বলতে পারেন না। আমি হয়তো অল্প শিক্ষিত। অল্প শিক্ষিত হলেও তাঁরা এ ধরনের কথা বলতে পারেন না।’

সিইসি আরও বলেন, ‘ববি হাজ্জাজ সাহেবের কথার পিঠে আমি হেসে বলেছি, তলোয়ার দেখালে আপনি একটি বন্দুক নিয়ে দাঁড়াবেন। এটা হচ্ছে কথার পিঠে কথা। এটা কখনো একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মিন করতে পারে না। আর যদি এটা আমি মিন করতে পারতাম, প্রথম দিন থেকেই সবাইকে বলতাম, আপনারা অস্ত্র সংগ্রহ করবেন। আপনারা অস্ত্র সংগ্রহ করে নিজেদের শক্তিশালী করুন। আর এ কথা কখনো প্রথম দিন থেকে বলেছি বলে মনে পড়ে না।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন