বৈঠকে মতাদর্শগত বিরোধ ভুলে সবাইকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাজপথে নামতে হবে বলে মন্তব্য করেন মাহমুদুর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এ সৌজন্য বৈঠক ও মতবিনিময়ের জন্য এবি পার্টির নেতাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার মধ্যে যদি এ ধরনের সৌজন্য চালু থাকত, তাহলে আমরা দেশে আরও উত্তম রাজনৈতিক পরিবেশ পেতাম।’

এবি পার্টির আহ্বায়ক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে মতের পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকারে আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন।’ তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে—তবেই এবি পার্টি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে। তিনি নির্বাচন সামনে রেখে সব ধরনের হঠকারিতার ব্যাপারে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

বৈঠকে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এবি পার্টি গঠনের প্রেক্ষাপট ও দলের নীতিমালা তুলে ধরেন সদস্যসচিব মজিবুর রহমান (মঞ্জু)। বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও চলমান আন্দোলনের গতিধারা বিশ্লেষণ করে দুই দলের নেতারা বক্তব্য দেন।

আলোচনায় নাগরিক ঐক্যের সেক্রেটারি শহীদুল্লাহ কায়সার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিন্নুর চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক জাহেদ উর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাকিব আনোয়ার, এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মেজর (অব.) আবদুল ওহাব, যুগ্ম সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ অংশ নেন।

দলীয় গঠনতন্ত্রের ১ নম্বর দফার কর্মসূচি ‘জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা’র অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করছে এবি পার্টি। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয় দলটির।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন