ঢাকা–১০ আসনে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর
ঢাকা–১০ আসনে ব্যাপকভাবে চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন। তিনি বলেছেন, ছোট–বড় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বাড়িওয়ালা—এলাকার কেউই চাঁদাবাজির হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা–১০ আসনের কাঁঠালবাগান এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এ কথা বলেন জসীম উদ্দীন।
জামায়াতের এই প্রার্থী বলেন, কেউ বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে সেখানে চাঁদাবাজের থাবা পড়ে। বলা হচ্ছে—তাঁর কাছ থেকে নির্দিষ্ট রড, ইট বা সিমেন্ট নিতে হবে। পরে টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। দোকান করতে গেলেও একই অবস্থা। চাঁদাবাজি এখন একটি ক্রনিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে।
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মো. জসীম উদ্দীন। তিনি বলেন, মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চায়, নিরাপত্তা ও জীবনের নিশ্চয়তা চায়। এরপর অন্য সমস্যার সমাধান চায়।
ঢাকা–১০ আসনের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে জসীম উদ্দীন বলেন, অল্প বৃষ্টিতেই এ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। তীব্র গ্যাসসংকট আছে। পাশাপাশি ছিনতাই ও চুরির ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে।
নির্বাচিত হলে ধানমন্ডি লেককে অব্যবস্থাপনার হাত থেকে উদ্ধার করে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন জসীম উদ্দীন। তিনি বলেন, এখানে হাজারো সমস্যা আছে। উন্নয়নের জন্য সদিচ্ছা, উদ্যোগ ও আন্তরিক নেতৃত্ব দরকার। তা থাকলে সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব।
নির্বাচনী প্রচারের সময় জসীম উদ্দীনের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চান।