আজ মঙ্গলবার রাজধানীতে গণসংহতি আন্দোলনের কার্যালয়ে ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয়’ প্রশ্নে গণতন্ত্র মঞ্চের সভা হয়। এ সময় সংগঠনের নেতারা এসব কথা বলেন—এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা বলেন, সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের অর্থনীতি আজ চরম সংকটে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের নিম্নবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্ত শ্রেণিও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সরকারের অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সার কারণে দেশ আজ এক গভীর সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশের জ্বালানিনিরাপত্তা হুমকির মুখে। লোডশেডিংয়ে সারা দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। জ্বালানি–সংকটের কারণে কলকারখানা এমনকি সারকারখানা পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ–সংকটের দায় এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যর্থতা সম্পূর্ণভাবে সরকারের। কাজেই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা জনগণের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, বাস মালিক সমিতিকে দিয়ে ধর্মঘট ডেকে এবং পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা-গ্রেপ্তার চালিয়ে আবারও প্রমাণ করল, বল প্রয়োগ ও জবরদস্তি করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চায় সরকার। তাঁরা বলেন, এভাবে আন্দোলন দমন করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা যাবে না।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান (মান্না), রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক, জেএসডির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

আগামী ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস পালন এবং ১৮ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জে জেলায় সমাবেশের মাধ্যমে ধারাবাহিক জেলা সমাবেশের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয় সভা থেকে।