সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ বুধবার বিজয়নগর পানির ট্যাংকের সামনে ১২–দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে মুহাম্মদ ইবরাহিম এসব কথা বলেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও ১০ দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অন্যান্য দাবির সঙ্গে আজকের সমাবেশকে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল গঠনের দিনকে ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবস উল্লেখ করে তা যুক্ত করা হয়।

বর্তমান সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার উপকারভোগী বলে মন্তব্য করেন মুহাম্মদ ইবরাহিম। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরত আনুন। দেশকে সংঘাতের হাত থেকে রক্ষা করুন। দেশকে এমন সংঘর্ষের দিকে নেবেন না, যেখান থেকে ফিরে আসা না যায়।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, বাকশালের আওয়ামী লীগ আর এখনকার আওয়ামী লীগ একই। একটি একদলীয়, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে দেশব্যাপী এই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ২২ ডিসেম্বর বিএনপির সমমনা ১২টি দলের জোটের আত্মপ্রকাশ হয়। এই জোটে রয়েছে মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি (জাফর), মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ লেবার পার্টি, সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় দল, কে এম আবু তাহেরের নেতৃত্বে এনডিপি, শাহাদাত হোসেন সেলিমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এলডিপি, জুলফিকার বুলবুল চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, মুফতি মহিউদ্দিন ইকরামের নেতৃত্বে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, মাওলানা আবদুর রকীবের নেতৃত্বে ইসলামী ঐক্যজোট, তাসমিয়া প্রধানের নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, আবুল কাসেমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি।