জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের প্রথম সম্মেলন শুক্র ও শনিবার
২৩ ও ২৪ জানুয়ারি শুক্র ও শনিবার জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের প্রথম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় আয়োজন করা এ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র-যুব, নারী, লেখক, সংস্কৃতিকর্মী ও জাতিসত্তার মানুষ অংশ নেবেন। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
লেখক-গবেষক ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরের আহ্বানে ২০০৩ সালে ঢাকায় এক জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল গঠিত হয়েছিল। এই কনভেনশনের মাধ্যমে ১৮ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল দেশের রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিচালনা করে আসছে। ২০০৮ সালে সেনানিয়ন্ত্রিত সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই সরকারের ফ্যাসিস্ট চরিত্র সম্পর্কে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে দেশবাসী ও দেশের গণতান্ত্রিক মহলকে সতর্ক করা হয়েছিল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০১৪ সালের ধাপ্পাবাজির নির্বাচন, ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে এবং ২০২৪ সালের আমি-ডামির নির্বাচনে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে দেশে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘায়িত করার সব চক্রান্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উচ্ছেদ করে। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কায়েমের পথ উন্মুক্ত করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত করার নতুন পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের এই সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের আমূল পরিবর্তনের সংগ্রাম জোরদার করতে জনগণের সংগঠন গড়ে তোলাই বর্তমান কর্তব্য।