সারা বিশ্বে জ্বালানি, জীবনযাপনের খরচ ও খাদ্যসংকটের কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের বিরোধী দল কথায় কথায় ঠিকমতো বিদ্যুৎ-গ্যাস-তেল দিতে না পারলে পদত্যাগ করুন বলে। ফ্রান্সে একসঙ্গে ২০ শতাংশ পেট্রল স্টেশন বন্ধ করে দিতে হয়েছে। সেখানে কি তারা সরকারের পদত্যাগ দাবি করছে? সেটা নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে? মানুষ কষ্টে থাকলে বিক্ষোভ তো হতেই পারে। মানুষের কষ্টটা আমরা বুঝি। আমরা জনগণকে বলব কোন বাস্তবতার মুখে আমরা আজকে এই অবস্থায় উপনীত হয়েছি।’

আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বরাত দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনে আরও খারাপ কিছু অপেক্ষা করছে। তবে বাংলাদেশ খাদ্য নিয়ে শিগগিরই বিপদে পড়বে, সে আশঙ্কা নেই। তারপরও সরকার আগাম চিন্তা করে রেখেছে।

বর্তমান সংকট কাটাতে বেগ পেতে হচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সে জন্য সরকারের পদত্যাগ করতে হবে, এটা কোনো কথা। সরকার পদত্যাগ করলে আপনারা বৈশ্বিক সংকটের সমাধান করতে পারবেন, এর কোনো গ্যারান্টি আছে? এই গ্যারান্টি দিতে পারবেন? আর কোন নিয়মে সরকার যাবে?’

সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার চলে যাওয়ার নিয়ম তো আছে। সংবিধান অনুযায়ী দেশে নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিরপেক্ষ থাকলে সরকার তাদের সব ধরনের সহায়তা করবে। সরকারের এখানে হস্তক্ষেপ করার কোনো বিষয় নেই। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিপূর্বেও হস্তক্ষেপ করিনি। আগামী সাধারণ নির্বাচনেও সরকার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কেন, এ প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর কোন দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আছে? সংবিধান থেকে তো তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাদ গেছে। সেই তত্ত্বাবধায়কের ভূত কেন নামাতে পারছে না বিএনপি?