ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করছেন সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এদিকে বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোয় সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছে। তবে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাড়া অন্য কোথাও বড় জমায়েতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিকেলে শাহবাগে ছাত্রলীগের সমাবেশ আছে। মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ বনানীতে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান করবে। এটিকে জনসভায় রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে দলটির।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, এসব সভা সামান্য হাঁকডাক মাত্র। আওয়ামী লীগ এখনো মাঠে নামেনি, মাঠে নামলে বাটি চালান দিয়েও বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিএনপি নির্বাচন নিয়ে যা–ই করুক না কেন, শেষে তাদেরকে নাকে খত দিয়ে নির্বাচনে আসতে হবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে সন্দিহান, তারা এ দেশের শত্রু। যারা এখনো সংবিধান নিয়ে সমালোচনা করে, তারা পাকিস্তানের দোসর। আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারও আওয়ামী লীগ জয় লাভ করবে।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে বিএনপি আবারও ষড়যন্ত্র করছে। কারণ, তারা জানে এ নির্বাচনে তারা হেরে যাবে। তাদের আগের কর্মসূচিতে জঙ্গিবাদ, খুন, অত্যাচারসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছিল। তাই জনবিচ্ছিন্ন কাজের জন্যই জনগণ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

এখনো দেশের উন্নয়নে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। তাই নেতা–কর্মীদের কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানান মাহবুব উল আলম হানিফ।

তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নেতা–কর্মী দিয়েও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।