গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে প্রচার চালাতে ২৭০ আসনে ‘অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগ দেবে এনসিপি
যেসব সংসদীয় আসনে এনসিপি প্রার্থী দিচ্ছে না, সেসব আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগ দেবে দলটি। সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭০ আসনে এনসিপির কোনো প্রার্থী থাকছেন না বলে জানিয়েছে দলটি।
আজ রোববার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচনী মিডিয়া উপকমিটির প্রধান মাহাবুব আলম।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনসিপি গণভোটে ‘হ্যাঁ’–কে জয়যুক্ত করতে আসনভিত্তিক পৃথক কর্মপদ্ধতি নিয়েছে। যেসব আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নেতৃত্বেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে। ওই আসনগুলোয় প্রার্থী নিজেই দলীয় কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে প্রচারণার মূল নেতৃত্ব দেবেন।
এনসিপির কোনো প্রার্থী নেই, এমন মোট ২৭০টি আসনে দল থেকে অ্যাম্বাসেডর বা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব অ্যাম্বাসেডর বা প্রতিনিধির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোয় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো হবে। তাঁরা স্থানীয় জনগণের কাছে এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান, গণভোটের গুরুত্ব ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবেন। এই পদ্ধতির মাধ্যমে এনসিপি সারা দেশে একটি সমন্বিত ও সর্বব্যাপী প্রচার নিশ্চিত করতে চায়, যাতে প্রার্থী থাকা কিংবা না–থাকা—সব আসনেই জনগণের কাছে দলের বার্তা স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা সম্ভব হয়।
এনসিপির দায়িত্বশীল এক নেতা প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের দলের পক্ষ থেকে শিগগিরই ২৭০ জন অ্যাম্বাসেডর বা প্রতিনিধির তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই প্রতিনিধিরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাবেন। এর ফলে এনসিপি সব আসনে প্রার্থী দেয়নি, তা বলার সুযোগ কমবে বলে তাঁরা মনে করছেন।