পরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘কানাডা মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, জীবনের নিরাপত্তা, আইনের শাসনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। কানাডাসহ কয়েকটা দেশ এগুলোতে দৃঢ় অবস্থান নেয় সব সময়। তারা কিন্তু বাংলাদেশ সরকারকে বিভিন্ন সময়...তাদের ওয়েবসাইটে গেলে আপনারা দেখতে পারবেন যেটা, বাংলাদেশ সরকারকে বাইলেটারেলি বলে আসছে যে এখানে বাংলাদেশে মানবাধিকার ইস্যু লঙ্ঘন হচ্ছে।’

আমীর খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট স্বাভাবিকভাবে আমাদের যে মানবাধিকার পরিস্থিতি, আগামী নির্বাচন, আইনের শাসন, জীবনের নিরাপত্তা ইত্যাদি সব বিষয়ে আলাপ হয়েছে সার্বিকভাবে। আমরা ভালো আলোচনা করেছি।’

মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘কানাডার পক্ষ থেকে কনসার্ন (উদ্বেগ) তো আছেই। স্বাভাবিক। বাংলাদেশের জনগণের যে রকম কনসার্ন আছে, সারা বিশ্বের গণতন্ত্রকামী দেশগুলো, মাল্টিলেটারেল বডি এবং মানবাধিকার সংস্থা সবার যেমন কনসার্ন আছে, তাদেরও তো কনসার্ন থাকা…বিশেষ করে মানবাধিকারের ওপর তাদের গুরুত্ব অনেক বেশি, গণতন্ত্রের ওপর তাদের গুরুত্ব অনেক বেশি।’

নির্বাচন ইস্যুতে আপনারা কী বলেছেন জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, ‘আমরা তো ভেতরে কী আলোচনা হয়েছে, সেটা এখানে বলতে পারব না। এটা আপনারা বুঝতেই পারছেন।’

বৈঠকে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।