বিবৃতিতে জি এম কাদের বলেন, অকটেনের মূল্য এক লাফে ৫১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকার বদলে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৮৬ টাকা লিটার পেট্রলের দাম ৫১ দশমিক ১৬ শতাংশ বেড়ে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি লিটার ৮০ টাকার বদলে ১১৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম এখন নিম্নমুখী।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের কথা উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, গত চার-পাঁচ মাসে বিভিন্ন স্থানে বেঞ্চমার্ক ক্রুড ওয়েলের দাম কমেছে ২৯ থেকে ৩০ শতাংশ। ইউএস বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৯ ডলারের নিচে নেমে যায়। গত মার্চে যার দর উঠেছিল ১২৪ ডলারে।

আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয় ৯৪ ডলারে। সারা বিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, তখন দেশে তেলের মূল্য বৃদ্ধি সব মহলকে হতাশ করেছে।

বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাবে। নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে কয়েক গুণ। পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে দামও বাড়বে। এতে রপ্তানিশিল্পেও বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। তাই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন