বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের আয়োজিত ওই সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, এখন পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপির সাতটি সমাবেশ হয়েছে।

সমাবেশ করতে বিএনপির যত টাকা খরচ হয়েছে, এসব সমাবেশ বন্ধ করার জন্য তার থেকেও ১০ গুণ বেশি খরচ করেছে আওয়ামী লীগ। আর সঙ্গে ছিল তাদের পেটোয়া বাহিনী ও পুলিশ বাহিনী। বিএনপি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়। ঢাকায় সমাবেশ হবে, পারলে সেদিন যেন সবাইকে জেলখানায় নেয় এ সরকার। হরতাল-অবরোধ দিয়ে লাভ নেই।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে এককথায় বলা যায় বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্ম। যখনই বহুদলীয় গণতন্ত্রে আঘাত আসবে, জিয়াউর রহমানের নাম মনে পড়বে। আওয়ামী লীগ কখনো ১৯৭১ থেকে ’৭৫ পর্যন্ত সময়ে তাদের করা অপকর্মের কথা বলে না। ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি আজ ক্ষমতায়। এই আওয়ামী লীগ সরকার খুন, গুম ও বন্দুকযুদ্ধ শুরু করেছে।

গয়েশ্বর চন্দ্র আরও বলেন, ‘পুলিশ আমাদের বলছে, লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে আসতে পারবেন না। তাহলে আপনারাও (পুলিশ) আপনাদের কাঠের বন্দুক থানায় রেখে আসেন। আওয়ামী লীগ রামদা কুড়াল রেখে আসুক। খালি হাতে আসেন যুদ্ধ করি। লড়াই হোক সমানে সমানে। আওয়ামী লীগ রামদা-কুড়াল নিয়ে আসবে। পুলিশ বন্দুক নিয়ে আসবে। আমাদের কি বাঁচার অধিকার নাই? সংবিধানে আমার বাঁচার অধিকার আছে। নিজে বেঁচে থাকার জন্য আমার তো কিছু করতেই হবে।’