জাপান দূতাবাসের শোক বইতে স্বাক্ষর করে আমীর খসরু মাহমুদ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, শিনজো আবে বাংলাদেশের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জাপান–বাংলাদেশ সম্পর্ক গড়ে ওঠা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পেছনে তাঁর অনেক অবদান আছে। বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তিনি অনেক কাজ করেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময়ে বাংলাদেশের অনেক বড় বড় উন্নয়নে জাপানের ভূমিকা ছিল। পদ্মা সেতুতেও জাপানের অর্থ তহবিল প্রস্তুত ছিল। পরবর্তী সময়ে সেটা বাতিল হয়ে যায়।

আমীর খসরু মাহমদু আরও বলেন, ‘শিনজো আবে একজন আন্তর্জাতিক নেতা হিসেবে খুবই গ্রহণযোগ্য ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। জাপানের মানুষের ভালোবাসা নিয়ে অনেক দিন ধরে জাপানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশ–জাপান সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।’

৮ জুলাই নিজ দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) একজন প্রার্থীর প্রচার সভায় শিনজো আবে ভাষণ দিচ্ছিলেন। এ সময় তাঁর পেছন থেকে গুলি করা হয়। এরপর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। আবেকে হত্যার ঘটনায় ইতিমধ্যে সেই বন্দুকধারী তাৎসুইয়া ইয়ামাগামিকে (৪১) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাৎসুইয়া সাবেক নৌ সেনা বলে জানা গেছে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন