মাহমুদুর রহমান বলেন, সরকারের মুখ্য সচিব এখন বোঝাচ্ছেন কীভাবে লোডশেডিং যৌক্তিক, ডলার–সংকট যৌক্তিক। আবার প্রধানমন্ত্রী বলছেন, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সংকট তৈরি হয়েছে। কিন্তু মানুষ হিসাব জানে। কোথা থেকে কী পরিমাণ তেল আমদানি হয় দেশে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, ‘হাতিরঝিলে ১০ কোটি টাকা খরচ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎসব উদ্‌যাপন করা হয়েছিল। সেখানেও প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আমরা লোডশেডিংকে জাদুঘরে পাঠিয়েছি।” এখন জাদুঘর থেকে লোডশেডিং বের হয়ে এসেছে।’

মান্না বলেন, দেশে ডলারের যে সংকট হয়েছে, তার প্রধান কারণ দেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ‘এখন রিজার্ভ নেই, জ্বালানি নেই। যা আছে ৩০ দিন চলবে। আমরা ভয় পাই না। কিন্তু এক মাস পর যখন এই সংকট সামনে আসবে, তখন মাথা চাপড়িয়েও আর কোনো লাভ হবে না। কিছুদিন পরে মোমবাতিও কিনতে পাওয়া যাবে না।’

নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কবীর হাসানের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিন্নুর চৌধুরী, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, অধ্যাপক মাহবুব হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন