ইশরাকের একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, ইমতিয়াজ হাসান ওয়ারী থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী। তাঁকে গাড়িতে তোলার সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা কী কারণে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চেয়ে গাড়ি থামানোর চেষ্টা করলেও পুলিশ দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে চলে যায়। সেখানে ইশরাকও উপস্থিত ছিলেন।

পুরান ঢাকায় লিফলেট বিতরণকালে গত ৪ ডিসেম্বর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ওপর হামলা ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ওই ঘটনায় ইমতিয়াজ হাসান বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।

ইমতিয়াজের স্ত্রী শাহনাজ মুক্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতা ইশরাকের ওপর হামলা হয়েছিল। তখন ইমতিয়াজও আহত হয়।

ওই ঘটনায় আমার স্বামী বাদী হয়ে মামলা করেছিল। কয়েক দিন আগে রাতে ছাত্রলীগ পরিচয়ে ফোন করে আমার স্বামীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আজকে তাঁকে ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ।’

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, একটি রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।