বাজেট আগামী বছরের লুটপাটের পরিকল্পনা: বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের দাবি
প্রস্তাবিত বাজেটে কাঠামোগতভাবে বড় কোনো পরিবর্তন নেই বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, এই বাজেটও পূর্ববর্তী বছরের মতোই গতানুগতিক, শুভংকরের ফাঁকি, গণবিরোধী আর আগামী বছরের লুটপাটের পরিকল্পনা।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে নাজিবুর রহমান এ কথা বলেন।
বিরোধী দলের এই সদস্য বলেন, গত এক দশকের বাজেটগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু সংখ্যা ও ভাষাগত পরিবর্তন ছাড়া কাঠামোগতভাবে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি।
বাজেট প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা কতটুকু—এই প্রশ্ন রেখে নাজিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশে বাজেট প্রণয়ন করেন আমলারা। আমাদের সংসদ সদস্যদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ থাকে কয়েক মিনিটের গলাবাজির মধ্যে।’
সংসদীয় গণতন্ত্রের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বাজেট প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের সম্পৃক্ত করার দাবি জানিয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, ‘এই বাজেট আমরা প্রণয়ন করি না, আমাদের ভূমিকা শুধু বাজেট পাস করার, রাবার স্ট্যাম্পের।’
প্রস্তাবিত বাজেটে মধ্যবিত্তদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো হয়েছে দাবি করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারসহ ২০টি পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
জামায়াতের এই সদস্য বলেন, ‘অনেক কার্ডই দিচ্ছেন সরকার, একটা ভ্যাট মওকুফ কার্ড যদি গরিব মানুষের জন্য দিতেন, তাহলে ভালো হতো।’
নাজিবুর রহমান বলেন, এই সংসদে মসজিদে রাজনীতি বন্ধের, জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার দাবি করা হয়েছে। এ ধরনের ফ্যাসিবাদী দাবি আগেও একটি দলের নেতা–কর্মীরা করেছেন। জনগণ তাদেরই নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।